[ad_1]
ঢাকা, ১৭ মার্চ- সর্বশেষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেই প্রকল্প অনুযায়ী, পায়রা সমুদ্রবন্দরের চেয়ে মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের চারলেন সড়ক নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে ১০০ কোটি বাড়তি খরচ করা হচ্ছে। পায়রায় চারলেন সড়ক নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। আর মাতারবাড়ীতে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হচ্ছে ১৬০ কোটি টাকা। চারলেন সড়কের এই খরচ নির্ধারণ করেছে এই প্রকল্পে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকার প্রধান হিতোশি হিরাতা। আলোচনা শেষে জাইকার বক্তব্য তুলে ধরে সাংবাদিকদের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে একটা প্রশ্ন উঠেছে। এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। পায়রা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে তুলনা করলে এটা বোধহয় সঠিক হবে না। পায়রা করা হয়েছে কয়েক বছর আগে, আর এটা করা হয়েছে সম্প্রতি। আমরা (জাইকা) যে মাপ-জোক করি, সেটা অত্যন্ত গভীরভাবে বিবেচনা করে করি। আমরা ন্যায়সঙ্গত দামের বাইরে কিছু করি না। এই বন্দর শুধু আজকের জন্য নয়, আগামী ১০০ বছর হয়তো এটা কাজে লাগবে। এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য হবে, এই অঞ্চলে এটা বড় হাব হিসেবে গড়ে উঠবে।’
এম এ মান্নান বলেন, ‘মাতারবাড়ী প্রকল্প একনেকে পাস করায় জাপানিরা খুশি হয়েছে। সেজন্য তারা ধন্যবাদ দিতে এসেছেন। তারা কর্মপরিকল্পনা দেখালেন। তারা বললেন, আপনারা নিশ্চিত থাকেন, আমরা কর্ম-পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করব।’
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, জাইকার সঙ্গে বাংলাদেশের এই মুহূর্তে যে কয়েকটি প্রকল্প চলছে সবগুলোই শেষ হবে ২০২৮ সালে। তবে মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ অংশ আগামী বছর শেষ হবে বলে জানিয়েছেন জাইকা প্রতিনিধি।
করোনার বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার কারণে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে। অবশ্যই ক্ষতি হবে। শুধু আমাদের নয়, সারাবিশ্বের ক্ষতি হচ্ছে। বরং আমাদের তুলনামূলক কম ক্ষতি হবে। যেহেতু আমাদের দেশে করোনার বিস্তার কম।’
তিনি বলেন, ‘এখন সরকারের পরিকল্পনা হলো মানুষকে সুরক্ষা দেয়া। এটা যাতে আর বিস্তার না হয়। এটা হলো আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হবে মিনিমাম ডেমেজ (সর্বনিম্ন ক্ষতি)। তৃতীয়ত, করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে ডাবল শিফটে (দুই শিফটে) কাজ করতে হবে দেশের সব নাগরিককে। চিনারা ইতোমধ্যে ডাবল শিফটে কাজ শুরু করে দিয়েছে। প্রথম ধাক্কা সামলে উঠার পর আমাদেরও শুরু করে দিতে হবে।’
সূত্র: জাগোনিউজ
আর/০৮:১৪/১৭ মার্চ
[ad_2]