[ad_1]


করোন ভাইরাস রোধে নগরবাসীর ঘরে থাকা নিশ্চিত করা হয়সহ বাজার নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতার লক্ষে নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।
আজ সোমবার সকাল থেকে চারটি টিমে ভাগ করে এই অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ শিকদারের নেতৃত্বে নগরীর চান্দগাও, বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা, যে সকল দোকান খোলার অনুমতি নেই তা খোলা রাখা ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানোর অপরাধে ১১টি মামলা দায়ের ও ১৬০০০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জনাব ।
ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা নেতৃত্বে মহানগরীর চকবাজার, বায়েজিদ, কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় নগরীর বায়েজিদ এলাকায় ১টি সেলুন খোলা রাখায় ৫০০/- জরিমানা করা হয়। কয়েকটি অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করা হয়। বিকাল ৫ টার পর ফার্মেসী ব্যাতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় এর নেতৃত্বে নগরীর বন্দর, ডবলমুরিং, ও ইপিজেড এলাকায় সকাল ৯টা থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে য়ালটনের একটি ডিলার সহ মোট ৫ টি প্রতিষ্ঠান কে বিভিন্ন আইনে মোট ৬৩০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে নগরীর আকবর শাহ,হালিশহর ও পাহাড় তলী এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে নগরীর আকবার শাহ এলাকায় দুইটি স্টেশনারি দোকান খোলা রাখায় ৫০০০/- করে জরিমানা করা হয়। পাহাড়তলীতে একটি টিনের দোকানকে ২০০০/-ও কয়েকটি ভাসমান দোকানকে ২০০/- করে জরিমানা করা হয়। যৌক্তিক কারন ছাড়া পথেঘাটে ঘুরাঘুরির কারণে কয়েকজন পথচারীকে ২০০/- করে জরিমানা করা হয়। মোট মামলা ১৪ টি। জরিমানা আদায় ১৫৪০০/-টাকা।
[ad_2]