বুধবার, এপ্রিল ২, ২০২৫

আজকের মানবতার মুক্তিমন্ত্র -Deshebideshe

Must read

[ad_1]

মৃত্যুর কলরোলের মধ্যে বসে লিখছি। সকালে ঘুম থেকে উঠলেই শুধু মৃত্যুর খবর। এমন মৃত্যু রাজা-প্রজা কাউকে রেহাই দিচ্ছে না। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবকিছু জুড়ে শুধু মৃত্যুর খবর। তা শুধু এ দেশের নয়, সারা দুনিয়ার খবর। এই বিপুলা বিশাল মৃত্যুর মধ্যে এখনও যে বেঁচে আছি, তা এক বিস্ময়। এই মৃত্যু শত্রুমিত্র সব ভেদাভেদ ভুলিয়ে দিয়েছে। যাদের এতদিন পরম শত্রু বলে জেনেছি, তারাও টেলিফোন করে খবর নিচ্ছেন- ভাই, ভালো আছেন তো? একটাই জবাব দিই, এখনও বেঁচে আছি।

অন্যদিনের মতো আজও লিখতে বসেছি। সাবজেক্ট খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এক বন্ধু টেলিফোনে জিজ্ঞেস করলেন, কী করছ? জবাব দিয়েছি, গৃহবন্দি অবস্থায় আর কী করতে পারি! তাই লিখতে বসেছি। কিন্তু সাবজেক্ট খুঁজে পাচ্ছি না। বন্ধু সবিস্ময়ে বলল, কী বল সাবজেক্ট খুঁজে পাচ্ছ না? এই মৃত্যু সমাচ্ছন্ন বিশ্বকে সামনে নিয়ে লিখতে বসলে তোমার তো সাবজেক্টের অভাব হওয়ার কথা নয়।

বলেছি, বেশ তুমিই একটা সাবজেক্ট দাও। বন্ধু বলল, এই করাল মৃত্যু যখন করোনাভাইরাসের রূপ ধরে সারাবিশ্বকে গ্রাস করতে চাইছে, তখন তোমাদের লেখক, সাহিত্যিকদের একটাই দায়িত্ব, মানুষের মনে আশা জাগিয়ে রাখা। মৃত্যুর আতঙ্ক না ছড়িয়ে আশার কথা লেখ। আশা মানুষের মন থেকে আতঙ্ক তাড়াবে। আর একবার যদি বিশ্বমানবতা আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারে, তাহলে দেখবে ঐক্যবদ্ধ মানবতা মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছে এবং জয়ী হচ্ছে।

বন্ধুর কথা শুনে মনে আশা জাগল, রোজ মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি শুনে নিজের মনেও আশা হারিয়ে ফেলেছিলাম। ভাবছিলাম, ম্যালথাস থিওরিই সত্য হতে চলেছে। পৃথিবীর জনসংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে, পরিবেশ এত দূষিত হচ্ছে যে, ম্যালথাস থিওরি অনুযায়ী প্রকৃতি মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখে নিজে এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমানোর দায়িত্ব নিয়েছে। কভিড-১৯ যে হারে বিভিন্ন দেশে মানুষ মারছে, তা যদি আর কয়েক মাস অব্যাহত থাকে, তাহলে পৃথিবীর জনসংখ্যা অনেক নেমে যাবে। তখন হয়তো জন্মহার কমানোর বদলে বাড়ানোর জন্য আন্দোলন চালাতে হবে।

মানুষের মনে আশা জাগালে মানুষ কি বাঁচে? একটা পরীক্ষায় দেখা গেছে, নদীতে পড়ে আছে এমন অনেক মানুষ সাঁতার জানা সত্ত্বেও আশা হারিয়ে কিছুমাত্র চেষ্টা না করে নদীতে ডুবে মরেছে। যারা আশা হারায়নি, তাদের অনেকেই কাঠখড় অবলম্বন করেও বেঁচে গেছে। হলিউডের ‘সুপারম্যান’ সিরিজের একটা ছবিতে বহুকাল আগে- আমার কলেজ জীবনে এই বিপুল শক্তির অধিকারী মহামানুষটির অভিনয় দেখেছি।

আজ বিপন্ন সভ্যতায় বিপন্ন মুহূর্তে সেই গল্পটি মনে পড়ছে। একটি গ্রহে এক জ্ঞানী পুরুষ ছিলেন। তিনি গবেষণা করে জানতে পারেন, তাদের গৃহটি শিগগিরই ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি গ্রহের অধিকারীদের ডেকে সতর্ক করেন এবং প্রস্তাব দেন, এসো আমরা অন্য গ্রহে চলে যাই। নাচ-গানে মত্ত অধিবাসীরা তার প্রস্তাব হেসে উড়িয়ে দিল। তখন তিনি নিজের শিশুপুত্রকে একটি পাত্রে রেখে অন্য গ্রহের দিকে শূন্যে ভাসিয়ে দেন। গ্রহটি ধ্বংস হয়ে যায়; কিন্তু ওই শিশু পৃথিবীতে ‘সুপারম্যান’ হয়।
এটা গল্প। এই গল্পের কাহিনি যদি সত্য হতো, তাহলে পৃথিবী থেকে সব মানুষ গ্রহান্তরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতো। দুঃখের বিষয়, গ্রহান্তরে মানুষকে পাঠানোর কোনো উপায় এখনও আবিস্কৃত হয়নি। চাঁদে মানুষ পা রেখেছে। বুধ ও মঙ্গল গ্রহও এখন মানুষের জানাশোনার বাইরে নয়। কিন্তু সেখানে বসবাসের পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। যাতায়াতেরও কোনো সহজ উপায় নেই। থাকলে চাঁদ, বুধ বা মঙ্গলগ্রহ এতদিনে মানুষে ভরে যেত। সবাই যেতে না পারুক, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী জনসনসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নেতারা অন্তত চাঁদ, বুধ বা মঙ্গলগ্রহে প্রিয়জন নিয়ে আশ্রয় পেয়ে আনন্দ-ফুর্তি করতে পারতেন।

এখন তাও হওয়ার উপায় নেই। একটা অসমর্থিত রিপোর্টে জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসেই চীন তাদের উহান প্রদেশে করোনাভাইরাস দেখা দিয়েছে বলে আমেরিকা, ব্রিটেনসহ পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রনায়ক অনেককেই সতর্ক করেছিলেন। ট্রাম্প সাহেব (হয়তো বরিস জনসনও) তখন ভেবেছিলেন, চীনের সঙ্গে যখন তারা ট্রেড ওয়্যারে বা বাণিজ্যিক যুদ্ধে জয়ী হতে পারছেন না, তখন বিষাক্ত ভাইরাস মৃত্যুদূত হয়ে এসে সেই চীনকে ধ্বংস করুক। তাহলে পশ্চিমা জগৎ চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক এবং রাজনীতিতে বিনা যুদ্ধে জিতে যাবে।

কিন্তু তাদের সেই আশা সফল হয়নি। করোনাভাইরাস একা চীনকে আক্রমণ করেনি। আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপসহ আফ্রিকায় ও এশিয়ার দেশগুলোতেও মারাত্মক হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় বরিস জনসন এবং যুবরাজ চার্লসও আক্রান্ত। ট্রাম্পের গলায় যুদ্ধের হুঙ্কার একেবারেই নেই। পেন্টাগন না চাইলেও তাদের সব যুদ্ধ স্থগিত। কোনো ঘোষণা দিয়ে তা হয়নি। ঘোষণা না দিয়েই যুদ্ধ স্থগিত হয়ে গেছে। মার্কিন সৈন্যরা দেশে ফিরে আসার দাবি জানাচ্ছে। ট্রাম্প সাহেব তাতে বিব্রত।
প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস শুধু চীনকে নয়, সারাবিশ্বে হামলা চালানোর পর আমেরিকা চীনকে এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সাহায্য দিতে চেয়েছিল। চীন তা নানা অজুহাতে গ্রহণ করেনি। এ সম্পর্কে অনেকের সন্দেহ, রাশিয়ার চেরনবিল আণবিক কেন্দ্রে ভয়াবহ আণবিক দুর্ঘটনা ঘটার পর আমেরিকাসহ পশ্চিমা জগৎ নানা সাহায্য নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিল। পরে দেখা গেছে, সাহায্য দানের অজুহাতে রাশিয়ার বুকে আমেরিকার সিআইএ গোটা সোভিয়েত সমাজব্যবস্থাই ধ্বংস করে দিয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে এবং ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি গরবাচেভ ও ইয়েলৎসিন দুই এজেন্টের মাধ্যমে অতীতে প্রথম মহাযুদ্ধের পর অটোম্যান সাম্রাজ্য যেভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো করেছিল, তেমনভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকেও ভেঙে দেয়।
চীনে উদারনৈতিক সংস্কারে সাহায্যদানের নামে ঢুকে আমেরিকা কীভাবে তিয়েনআনমেনের রক্তাক্ত ঘটনা ঘটিয়েছিল, কমিউনিস্ট চীন তা এখনও ভোলেনি। এই রিপোর্ট যদি সত্য হয়, তাহলে করোনাভাইরাস দমনে চীন ও রাশিয়া কেন আমেরিকার সঙ্গে যুক্ত উদ্যোগে এগিয়ে আসছে না, তার কারণ বোঝা যায়। চীন তো ঘোষণা করেছে, উহান প্রদেশে তারা করোনাভাইরাস দমন করে ফেলেছে। উহানে এখন করোনাভাইরাস নেই বললেই চলে।

চীন যদি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিস্কার নাও করে থাকে, যদি এই ভাইরাসের বিস্তার দমনের কোনো উপায় আবিস্কার করে থাকে, সেই উপায় কেন ইউরোপ, আমেরিকা বা এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করছে না, তা এক বিস্ময়ের কথা। নাকি চীনে ভাইরাস দমনের ব্যবস্থা হয়নি, কমিউনিস্ট সিস্টেমে সব খবর গোপন রেখে আয়রন কার্টেলের আড়ালে এ সংক্রান্ত সব খবর গোপন রাখা হচ্ছে? কোনটা সত্য, কে বলবে?

বাংলাদেশ সম্পর্কেও নানা গুজব রটানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, কভিড-১৯ দমনে বাংলাদেশ সফল হচ্ছে না। মৃত্যু সংবাদ সঠিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এই গুজব সত্য না অসত্য, তা ভেবে দেখার মতো। গতকাল (২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার) আমি ঢাকার একটি টেলিভিশনে প্রচারিত দুপুরের শীর্ষ খবর সকালে মোবাইল খুলে শুনেছি। এক স্থানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা লোকজনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে দেখলাম। আরেক খবরে দেখলাম, ওই টেলিভিশনের রংপুর রিপোর্টার বলছেন, শহরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে তিনি কাউকে সেখানে পাননি। একজন মাত্র স্বাস্থ্যকর্মীর দেখা পেয়েছেন এবং সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন।

আমার কথা, আমেরিকা ও ব্রিটেনের মতো উন্নত দেশেই যেখানে সর্বপ্রকার সতর্কতা নিয়ে মৃতের সংখ্যা কমানো যাচ্ছে না, দিন দিন বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশে কী ঘটতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। গ্রামাঞ্চলের মানুষ সবাই শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যসচেতন নয়। তাদের ওপর রয়েছে একশ্রেণির ধর্মান্ধ এবং তাদের তাবিজ, ঝাড়ফুঁক ও তন্ত্রমন্ত্রের প্রভাব। গ্রামাঞ্চলের সব মৃত্যুর খবর সরকার সবসময় নিশ্চিতভাবে জানতে পারবে, তার সম্ভাবনা কম। সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রাজধানীতেই অনেকে মেনে চলছে না। লন্ডন ও অন্যান্য শহরে দেখছি, পুলিশ নামানো হয়েছে। ঢাকায় দেখেছি সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ থেকেই বোঝা যায়, সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। একটি জাতীয় দুর্যোগেই দলমত-নির্বিশেষে মানুষ দুর্যোগ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়। আর এটা তো স্মরণাতীতকালের ভয়াবহ আন্তর্জাতিক দুর্যোগ। এই দুর্যোগে বৃহৎ শক্তিগুলো পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে বিবাদ ও মতপার্থক্য মুলতবি রেখেছে এবং মানবতাকে বাঁচানোর কথা ভাবছে। বাংলাদেশেও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য রঞ্জিত ও অতিরঞ্জিত খবর না ছড়িয়ে সব দলমতের মানুষের উচিত এই আপদকালে সরকারকে সাহায্যদানের জন্য এগিয়ে আসা।

এই আপদকালেও সরকারের ভেতর যে ভুলত্রুটি ও দুর্নীতি নেই, তা নয়। আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুধু নয়, গোটা স্বাস্থ্য সেক্টরটিই দুর্নীতিতে ভরা। ওষুধ এবং চিকিৎসা নিয়েও চলছে অমানবিক বাণিজ্যিক মুনাফার খেলা। বড় বড় হাসপাতাল এবং নামিদামি অনেক ডাক্তারের সম্পর্কে যে অভিযোগ শোনা যায়, তা অবিশ্বাস্য। এদের চিকিৎসা বাণিজ্যে সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা অলভ্য। বাংলাদেশে হাসপাতালের সংখ্যা এখন যথেষ্ট না হলেও একেবারে কম নয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়া সহজ নয়। এই অসাধুতা দমনে সরকারের অদক্ষতা থাকতে পারে; কিন্তু সব দোষ নন্দঘোষের ওপর না চাপিয়ে বেসরকারি স্বাস্থ্য সেক্টরেও যে অবাধ দুর্নীতি চলছে, সে সম্পর্কে আমাদের সংবাদ মিডিয়ার ইনভেস্টিগেশন দরকার।

সরকারের দায়িত্ব পালনে যেসব ক্ষেত্রে গাফিলতি আছে, দুর্নীতি আছে মিডিয়া তার সমালোচনা অবশ্যই করবে। কিন্তু এই প্রাইভেটাইজেশনের যুগে বিশাল প্রাইভেট সেক্টরে যে বিশাল দুর্নীতি ও অসাধুতা চলছে, সরকারি সেক্টরের সঙ্গে সেই সেক্টরের ছবি জনসাধারণের কাছে উদ্ঘাটন প্রয়োজন। এটা করতে পারে মিডিয়া। কোনো কোনো মিডিয়া এই স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কাছে মাথা বিক্রি না করলে গোটা মানবতার এই বিপদের মুহূর্তে দেশের মুনাফালোভী গোষ্ঠীগুলো কী করছে, তা দেখতে পেত দেশবাসী।

মোদ্দা কথায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশে দরকার সরকারের সঙ্গে সবগুলো রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের ঐক্যবদ্ধতা এবং বিশ্বদানবের বিরুদ্ধে সম্মিলিত সংগ্রাম। মানুষের মনে এই মুহূর্তে ভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর আক্রমণ হলো ভয় ও আতঙ্কের। আমাদের লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক, সবার উচিত মানুষের মন থেকে এই ভয় ও আতঙ্ক দূর করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় নামা। মানুষ একবার ভয়মুক্ত হলে বিশ্বদানবের বিরুদ্ধে নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ হবে। লন্ডনে দেখছি, একদল প্রবীণ ও তরুণ চার্চম্যান ও চার্চ উইমেন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে যিশুর বাণী প্রচার করছেন। বলছেন, যিশুকে স্মরণ করলে বর্তমানের ভয় ও আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

মুসলিম দেশগুলোয় মুসলিম আলেমরা এভাবে আল্লাহর বাণী, কোরআনের সেই পবিত্রবাণী- ‘হে ইমানদারগণ, তোমরা ভীত ও নিরাশ হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় তোমাদের সন্নিকটবর্তী’ প্রচার করতে পারেন। বাংলাদেশে তার বদলে একশ্রেণির আলেম নামধারীরা তাবিজ, তুমার ও স্বপ্নে পাওয়া ওষুধের নামে একই ধর্ম ব্যবসা ভালোভাবে চালাচ্ছে। সচেতন দেশের মানুষের উচিত দেশময় এদের উৎপাত বন্ধ করা।

এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক হলো বিশ্বমানবের মনে আশা, সাহস, ঐক্য ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞা- আমরা পরাজিত হবো না। সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মানবতা প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধে হার মানেনি। এবারও হার মানবে না। আজকের মানবতার কাছে মুক্তিমন্ত্র হলো- ‘সম্মুখে বিস্তীর্ণ আজ জীবনের অবারিত মাঠ/মৃত্যুর জানাজা মোরা করিব না পাঠ।’

এন এ/ ০৪ এপ্রিল



[ad_2]

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

Latest article