[ad_1]
নয়াদিল্লি, ৫ এপ্রিল- দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে মারণ ভাইরাস করোনা। রবিবার সকাল পর্যন্ত করোনার থাবায় ভারতে ৩১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, প্রাণ হারিয়েছেন ৭৭ জন। করোনা মোকাবিলায় আরও কী কী পদক্ষেপ করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনার জন্য এবার দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, ও বিরোধী দলগুলির নেতাদের ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফোনে ৮ এপ্রিলের ভিডিও কনফারেন্সে প্রত্যেককে উপস্থিত থাকতে আবেদন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।
শনিবারই সর্বদল বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী। ঠিক হয়, আগামী ৮ এপ্রিল রাজনৈতিক দলগুলির নেতাদের সঙ্গে করোনা নিয়ে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠক হবে। সংসদে যে রাজনৈতিক দলের কমপক্ষে পাঁচ জন সদস্য রয়েছেন সেই দলের সংসদীয় নেতারাই বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন।
রবিবার ফের ৮ এপ্রিলের বৈঠক নিয়ে তৎপরতা নেন মোদী। রবিবার সকালেই ফোন করেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদের। জানা গিয়েছে, এদিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যাও ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের সঙ্গে কথা হয় মোদীর। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা প্রসঙ্গে প্রাক্তন দুই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলেন মোদী। দু’জনকেই আগামী ৮ এপ্রিলের সর্বদল বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্স মারফত উপস্থিত থাকতে আবেদন জানিয়েছেন মোদী।
একইভাবে এদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সঙ্গেও কথা হয় নরেন্দ্র মোদীর। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয় দুই নেতার। পরে মনমোহন সিংকেও সর্বদল বৈঠকে যোগ দিতে আবেদন জানান মোদী। এরই পাশাপাশি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়ার সঙ্গে কথা বলে তাঁকেও ৮ এপ্রিলের ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত থাকতে আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও ফোনে কথা হয় নরেন্দ্র মোদীর। তাঁকেও সর্বদল বৈঠকে উপস্থিত থাকতে আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই পাশাপাশি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েককেও ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। ওড়িশার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুই নেতার।
পরে তাঁকেও ৮ এপ্রিলের ভিডিও কনাফারেন্সে উপস্থিত থাকতে আবেদন জানান মোদী। রবিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয় দুজনের। পরে মমতাকেও এপ্রিলের বৈঠকে যোগ দিতে আবেদন জানান মোদী।
একইভাবে তেলেঙ্গনা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা তথা তেলেঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, শিরোমণি আকালির দলের প্রধান প্রকাশ সিং বাদল, সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং যাদব ও অখিলেশ যাদব ও ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী নেতাদের ৮ এপ্রিলের করোনা বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্স মারফত যোগ দিতে আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী।
যদিও শনিবারই প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যোগ দেওয়া হবে না বলে তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়। তবে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছেন। ৮ এপ্রিলের ভিডিও কনফারেন্সে মমতাকে উপস্থিত থাকতে আবেদন জানিয়েছেন। এই অবস্থায় মোদীর আবেদনে মমতা সাড়া দেন কিনা সেটাই দেখার।
সূত্র: কলকাতা২৪*৭
আর/০৮:১৪/৫ এপ্রিল
[ad_2]