[ad_1]
রাজশাহী, ০২ এপ্রিল- রাজশাহী নগরীতে অপহরণের অভিযোগে আটক ১০ জনকে থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।
অভিযোগ উঠেছে, প্রত্যেকের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে তাদের ছেড়ে দিয়েছে থানা পুলিশ।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজপাড়া থানা পুলিশের ওসি শাহাদাত হোসেন খান। তিনি বলেন, ভুল-বোঝাবুঝি থেকে থানায় অভিযোগ এসেছিল। রাতে দুই পক্ষের সমঝোতার পরে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ওই সমঝোতা বৈঠকে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানেন। টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নগরীর চন্ডিপুর এলাকায় শিশির, আল হাদী, ফরহাদ ও মৃদুলসহ একদল যুবক নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। মাঝেমধ্যে মাদক বিক্রিও করতেন। তারা ভারতীয় মোবাইল কেনাবেচা করতেন। মাদক ও মোবাইল আনতেন জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আসলামের কাছ থেকে। সম্প্রতি নগরীর ওই যুবকদের মোটরবাইক নিয়ে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন আসলামের ছেলে জয়। এতে ক্ষতিপূরণ চান যুবকরা। ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষিপ্ত ছিলেন তারা। বুধবার দুপুরে আসলাম তার চিকিৎসাধীন ছেলেকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন।
সুযোগ পেয়ে হাসপাতাল থেকে তাকে তুলে নিয়ে যান শিশির, আল হাদী, ফরহাদ ও মৃদুলসহ ১০ যুবক। তাকে চন্ডিপুর মডেল স্কুল এলাকায় একটি বাসায় আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তখনই বিষয়টি রাজপাড়া থানা পুলিশকে জানান আসলামের স্বজনরা। পরে রাজপাড়া থানার এসআই আশরাফুল অভিযান চালিয়ে ১০ যুবককে আটক করেন। উদ্ধার করেন অপহরণের শিকার আসলামকে। অনেক দেন-দরবার শেষে গভীর রাতে থানা থেকে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ওই ১০ যুবককে আটকের সত্যতা স্বীকার করেন এসআই আশরাফুল। তবে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। অভিযোগের সত্যতা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সূত্র: জাগোনিউজ
আর/০৮:১৪/২ এপ্রিল
[ad_2]