দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লি ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৭। এদিন দুপুর ১.২৬ নাগাদ ৫ কিমি ব্যাপ্তিতে ওই কম্পন হয় বলে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানায়।
এর আগে রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদে ভূমিকম্প হয়। কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। আতঙ্কে অনেকেই নিজেদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। দিল্লি ছাড়াও নয়ডা, গাজিয়াবাদ ও ফরিদাবাদে কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল টুইট করে জানান, কম্পন অনুভূত হলো দিল্লিতে। আশা করি সবাই নিরাপদে আছেন। আমি আপনাদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা কামনা করি।
দেশের পাঁচটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে দিল্লি। ২০০৪ সালে দিল্লিতে ২.৮ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছিল। তারও আগে ২০০১ সালে ভূমিকম্প হয়েছিল। সেবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৪। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতজুড়ে লকডাউন চলছে। সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। বাড়িতে থেকেই অফিসের কাজ করছেন অনেকে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে পারলে এই রোগের ছড়িয়ে পড়া অনেকটাই ঠেকানো যেত বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৮০০ জন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ২৪০জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আরও ৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।