[ad_1]
নয়াদিল্লী, ০৭ এপ্রিল – আপাতত জারি আছে ২১ দিনের লকডাউন। দুই সপ্তাহ কেটে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু ১৪ এপ্রিলের পর থেকে কি হবে তা নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। আর তার থেকে বড় কথা হল, কি হওয়া উচিত? অর্থাৎ লক্ষণ উঠে যাওয়াই ভালো নাকি লকডাউন বাড়িয়ে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সারাদেশ জুড়ে যখন জল্পনা চলছে তখন এই বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকারও।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে যাতে লকডাউন বাড়িয়ে দেওয়া হয়। শুধু রাজ্য গুলোই নয় একাধিক বিশেষজ্ঞ কেন্দ্রীয় সরকারকে একই পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তৈরি ১১ জনের বিশেষ কমিটিকে সেসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বেশির ভাগেরই মত লকডাউন বাড়ানোর দিকেই।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সব রাজ্যের ধর্মীয় স্থান বন্ধ করে দিতে হবে। কোনও ধর্মের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যাবে না। স্কুল-কলেজ ও জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আপাতত যেন বদলি বন্ধ রাখা হয়, সেই আর্জিও জানিয়েছে রাজ্যগুলি। হোটেল, রেস্তোরাঁ, বারগুলির ক্ষেত্রেও লকডাউন জারি রাখার কথা বলা হয়েছে। আপাতত কোনও বিয়েবাড়ি, শোকসভা কিংবা কনফারেন্স করা যাবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, লকডাউন নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কোনও জল্পনা যেন তৈরি না হয়, তা নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকার লকডাউন বাড়ানোর কথা নতুন করে চিন্তাভাবনা করছে।
মঙ্গলবার উপ প্রধানমন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, লকডাউনের শেষ সপ্তাহটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংক্রমণের তথ্যের উপরই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, লকডাউন বাড়লেও যেন মানুষ একইভাবে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করেন।
তবে ১৪ এপ্রিলের পর ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউন তুলতে পারে বলে মনে করছে কোনও-কোনও মহল। আগামী কয়েকদিনের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির বিচার করেই ১৪ এপ্রিলের পর সাময়িকভাবে কোনও কোনও এলাকায় লকডাউন তোলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার।
সুত্র : কলকাতা ২৪x৭
এন এ/ ০৭ এপ্রিল
[ad_2]